Home খবর আইন-অপরাধ আ.লীগ নেতা টিপু হত্যাকাণ্ড : ভাড়াটে খুনী গ্রেপ্তার

আ.লীগ নেতা টিপু হত্যাকাণ্ড : ভাড়াটে খুনী গ্রেপ্তার

রাজধানীর শাহজাহানপুরে চাঞ্চল্যকর আওয়ামী লীগ নেতা টিপু হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ভাড়াটে খুনী শ্যুটার মাসুম মোহাম্মদ আকাশকে বগুড়া থেকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি।
রাজধানীর শাহজাহানপুরে চাঞ্চল্যকর আওয়ামী লীগ নেতা টিপু হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ভাড়াটে খুনী শ্যুটার মাসুম মোহাম্মদ আকাশকে বগুড়া থেকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি।

রাজধানীর শাহজাহানপুরে চাঞ্চল্যকর আওয়ামী লীগ নেতা টিপু হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ভাড়াটে খুনী শ্যুটার মাসুম মোহাম্মদ আকাশকে বগুড়া থেকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি।

গত ২৪ মার্চ রাত সোয়া ১০টায় ভয়ংকর খুনী ও অস্ত্র চালনায় সিদ্ধহস্ত আকাশের গুলিতে রাজধানীর মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম টিপু ছাড়াও নিহত হন নিরীহ রিকশাযাত্রী কলেজছাত্রী সামিয়া আফরান প্রীতি। তবে প্রীতি তার গুলিতে নিহত হয়েছেন বলে জানতেন না বলে দাবি করেছেন খুনী মাসুম।

গ্রেপ্তারকৃত মাসুম মোহাম্মদ আকাশ চাঁদপুরের মতলবের কাইশকানির মো. মোবারক হোসেনের ছেলে। সে রাজধানীর পশ্চিম মাদারটেকে একটি বাসায় সপরিবারে বসবাস করে আসছিল।

রবিবার, ২৭ মার্চ ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার এ.কে.এম. হাফিজ আক্তার জানান, জাহিদুল ইসলাম টিপুর কিলিং মিশন সফল করেই ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় গ্রেপ্তারকৃত মাসুম।

সীমান্ত পেরিয়ে দেশ ছেড়ে পালাতে চেয়েছিল সে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার স্বীকার করেছে মাসুম। হত্যাকান্ডের ৩ দিন আগে হত্যা করার নির্দেশ পাওয়ার কথাও জানায় সে।

হত্যার নির্দেশ পাওয়ার পর একজন সহযোগীকে নিয়ে রেকি শুরু করে মাসুম। হত্যার একদিন আগেও এজিবি কলোনিতে কিলিং মিশনে যায় সে। কিন্তু সেদিন ব্যর্থ হয়।

পরদিন হত্যা মিশন সফল করে সে ও তার সহযোগী যার দায়িত্ব ছিল মোটরসাইকেল চালানো। ঘটনা ঘটিয়েই গা ঢাকা দেয় খুনী মাসুম। পরদিন সে জয়পুরহাট চলে যায়।

সীমান্ত পাড়ি দিয়ে দেশা ছাড়ার পরিকল্পনা ছিল তার। কিন্তু সীমান্ত পার না হয়ে বগুড়ায় চলে যায় মাসুম। সেখানে তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর বগুড়া জেলা পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে মাসুমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

উল্লেখ্য, ২৪ মার্চ রাত সোয়া ১০টার দিকে রাজধানীর শাহজাহানপুরে ইসলামী ব্যাংকের পাশে বাটার শো-রুমের সামনে আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম টিপু হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। তাকে গুলি করে হত্যা করেই পালিয়ে যায় খুনী।

এসময় টিপুকে বহনকারী গাড়ির পাশেই রিকশাযাত্রী সামিয়া আফরান প্রীতি (১৯) নামে এক কলেজছাত্রীও নিহত হন। টিপুর গাড়িচালক মুন্নাও গুলিবিদ্ধ হন। চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের পরপরই শাহজাহানপুর থানায় নিহত টিপুর স্ত্রী ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর ফারহানা ইসলাম ডলি বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

Exit mobile version