আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি

100
আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি
আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি

প্রতি বছরের মতো এবারও নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও আজ (২৯ মে) পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস।

আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০২২ উপলক্ষে নেওয়া সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ। দিবসটি উপলক্ষে বাণী প্রদান করেছেন।

রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেছেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস ২০২২ পালনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, আমি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের সকল শান্তিরক্ষীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। বিশ্বশান্তি রক্ষার মহান দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আত্মোৎসর্গকারী বীর শান্তিরক্ষী সদস্যদের আমি পরম শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি।

মোঃ আবদুল হামিদ জানান, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে বৈরিতা নয়’ আদর্শ অনুযায়ী চলছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি। এই আদর্শের পথ ধরেই বাংলাদেশ আজ বিশ্ব দরবারে শান্তি ও সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

১৯৮৮ সাল থেকে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী সদস্যরা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে আসছে। বরাবরই তারা সর্বোচ্চ পেশাদারি মনোভাব, আনুগত্য ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে এসেছেন। তাদের অনন্য অবদানের জন্য আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে। পাশাপাশি শান্তিরক্ষা মিশনে একটি মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান নিশ্চিত হয়েছে। বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অন্যতম শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ। পেশাদারিত্বের পাশাপাশি অর্পিত দায়িত্বের প্রতি একনিষ্ঠতা, শৃঙ্খলা, দক্ষতা ও মানবিক আচরণ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের এই সাফল্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

বাণীর শেষ অংশে রাষ্ট্রপতি বলেন, সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে আমাদের শান্তিরক্ষী সদস্যরা আগামী দিনগুলোতেও বিশ্বশান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠার এই ধারা অব্যাহত রাখতে সক্ষম হবে- এ প্রত্যাশা করি। জয় বাংলা। খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।