আগৈলঝাড়ার বাজারে বেড়েছে দেশী লিচুর কদর

88
আগৈলঝাড়ার বাজারে বেড়েছে দেশী লিচুর কদর
আগৈলঝাড়ার বাজারে বেড়েছে দেশী লিচুর কদর

আগৈলঝাড়া (বরিশাল) থেকে: লাল টকটকে চোখ ধাঁধানো লিচু রাজশাহীসহ উত্তরাঞ্চলের আসা শুরু হলেও বিভিন্ন কেমিক্যাল দিয়ে ওই লিচু পাকানোর কারণে স্বাস্থ্যগত ঝুঁকির আশঙ্কায় আগৈলঝাড়ার ক্রেতাদের কাছে দেশী লিচুর কদর বেড়েছে।

স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত লিচু দেখতে ততটা লাল টকটকে না হলেও গ্রামাঞ্চলের বাড়ির আঙিনা বা মাছের ঘেরের পাড়ে বানিজ্যিকভাবে উৎপাদিত লিচুর কদর বেড়েছে সর্বত্র। উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে লিচু বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে এমনই তথ্য পাওয়া গেছে।

লিচু ব্যবসায়ীরা জানান, গ্রামের বাড়ির গাছ থেকে লিচু পেড়ে ২০ ও ৫০টি করে আঁটি বেঁধে বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখছেন তারা। বর্তমানে গ্রামের লিচুর কদর বেড়ে যাওয়ায় সাইজ ভেদে একশ’ লিচু দুইশ’ থেকে আড়াইশ’ টাকা দরে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। পাশাপাশি ফরমালিন দিয়ে চকচকে রং করা ও পাকানোর আতঙ্কে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা লাল টকটকে রসালো লিচু ছুঁয়েও দেখছেন না ক্রেতারা।

ব্যবসায়ীরা আরও জানান, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে লিচুর ছোট বড় অসংখ্য বাগান রয়েছে। অধিকাংশ লিচু গাছে এবছর ফলন ভাল হলেও রোদের তাপের কারণে লিচুর সাইজ একটু ছোট হয়েছে। তবে খেতে বেশ মিষ্টি। অনেক সৌখিন মালিক তাদের বাড়িতে, ঘেরের পাড়ে বানিজ্যিকভাবে লিচুর চাষ করায় সেখান থেকে লিচু কিনে বাজারে সরবরাহ করতে পারছেন ব্যবসায়ীরা।

বাকাল গ্রামের ফল ব্যবসায়ী গৌরাঙ্গ বৈদ্য, সেলিম মিয়া জানান, বাকাল এলাকায় তারা ৮/৯টি লিচুর বাগান কিনেছেন। স্থানীয় লিচু উত্তরাঞ্চলের লিচুর চেয়ে একটু কম মিষ্টি হলেও সচেতন মানুষের কাছে এর প্রচুর চাহিদা রয়েছে। গ্রামাঞ্চলের ওইসব লিচু গাছে বাদুড় ও কাকের উপদ্রব থেকে লিচু রক্ষা করতে তিনি লোক দিয়ে বাগান পাহারা

বসিয়েছেন। এছাড়াও বাঁশ কিংবা টিনের তৈরি বিশেষ বাজনা বাজিয়ে উচ্চঃস্বরে শব্দ করে তাড়ানো হচ্ছে কাক ও বাঁদুড়। রাতের বেলায় লিচু গাছে জ্বালিয়ে দেয়া হচ্ছে বৈদ্যুতিক বাতি। স্থানীয় লিচুর চাহিদা থাকায় ব্যবসায়িরা এবার লাভবান হচ্ছেন বলেও জানান তিনি। গ্রামাঞ্চলের ওইসব লিচু গাছে বাদুড় ও কাকের উপদ্রব থেকে লিচু রক্ষা

করতে তিনি লোক দিয়ে বাগান পাহারা বসিয়েছেন। এছাড়াও বাঁশ বা টিনের তৈরি বিশেষ বাজনা বাজিয়ে উচ্চঃস্বরে শব্দ করে তাড়ানো হচ্ছে কাক ও বাঁদুড়। রাতের বেলায় লিচু গাছে জ্বালিয়ে দেয়া হচ্ছে বৈদ্যুতিক বাতি। স্থানীয় লিচুর চাহিদা থাকায় ব্যবসায়ীরা এবার লাভবান হচ্ছেন বলেও জানা গেছে।