আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না হাইড্রোজেন পারক্সাইডের কারণে (ভিডিও)

170

ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন বলেছে, ‘চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে কনটেইনার ডিপোতে হাইড্রোজেন পারক্সাইড নামে দাহ্য রাসায়নিক পর্দাথ থাকার কারণে আগুন কনো ভাবেই নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না। বর্তমানে আগুন নেভাতে ২৫টি ইউনিটকে কাজ কারানো হচ্ছে।’ 

রবিবার (৫ জুন) সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের একথা বলেছেন তিনি। কীভাবে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে তা ঘুরে দেখেছেন মহাপরিচালক।

এদিকে, বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় ৪ শতাধিক দগ্ধ ও আহত হয়েছে। তবে আহতদের মধ্যে ৪০-৫০ জনের অবস্থা খুবি গুরুতর। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের সহকারী পরিচালক রাজীব পালিত বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। 

পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা জানিয়েছে, শনিবার রাত ১০টার দিকে সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি ইউনিয়নের শীতলপুর এলাকায় অবস্থিত বিএম কন্টেইনার ডিপোতে (সাবেক কাশেম জুট মিল) লোডিং পয়ন্টের ভেতরে আগুন লেগেছিল । প্রথমে কুমিরা ও সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজ চেষ্টা করে। পরে রাত পৌনে ১১টার দিকে এক কনটেইনার থেকে অন্য কনটেইনারে আগুন ছড়িয়ে পড়েতে থাকে । হঠাৎ একটি কনটেইনারে রাসায়নিক থাকায় বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে য্য়। এতে পুলিশের সদস্য, ফায়ার সার্ভিসের সদস্য ও শ্রমিকসহ ৪ শতাধিক মানুষ দগ্ধ ও আহত হয়ে যায় ।

পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের সদস্য ও শ্রমিকসহ ৪০-৫০ জনের বেশি মানুষ গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চট্টগ্রাম, ফেনী ও কুমিল্লা থেকে ফায়ার সার্ভিসের মোট ২৪টি টিম এসে আগুন নেভানোর কাজ চেষ্টা চালায়। কিন্তু রবিবার সকাল পৌনে ১১টা পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পাচ্ছে না। বিস্ফোরণে আশপাশের ঘরবাড়ি ও মসজিদের কাচের দরজা-জানালা ভেঙে যায়।

চমেক মেডিক্যাল পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুরুল আলম বলেন, ‘হতাহতদের মধ্যে ডিপোর শ্রমিকদের পাশাপাশি পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরাও রয়েছেন।’